❖ শিক্ষা: ম্যাট্রিক (১৯৩৯), কুড়িগ্রাম হাই স্কুল। আইএ (১৯৪১), ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ। ডিস্টিংকশনসহ বিএ (১৯৪৩), আনন্দ মোহন কলেজ। অর্থনীতি বিভাগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও পড়াশুনা শেষ করেন নি।
❖ সম্মাননা ও পুরস্কার: ‘একুশে পদক’ (মরণোত্তর, ১৯৮৩) বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১), আদমজি পুরস্কার (১৯৬৫)।
❖ সম্পাদিত ম্যাগাজিন: ভোরের আলো।
❖ উপন্যাস: লালসালু (প্রথম উপন্যাস, ১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮), দ্য আগলি এশিয়ান বা কদর্য এশীয় (১৯৬৩)।
❖ গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা (১৯৫১), দুই তীর ও অন্যান্য গল্প (১৯৬৫)।
❖ নাটক: বহিপীর (১৯৬৫), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৬৬), সুড়ঙ্গ (১৯৬৪), উজানে মৃত্যু (১৯৬৬)।
❖ গল্প: সীমাহীন এক নিমেষে (প্রথম গল্প), একটি তুলসী গাছের কাহিনী, মৃত্যুযাত্রা, জাহাজী, দুই তীর, পাগড়ী, স্তন, খুনী, পরাজয়, নিষ্ফল জীবন নিষ্ফল যাত্রা।
❖ উপন্যাসের চরিত্র
➢ লালসালু: মজিদ, খালেক বেপারী, রহিমা (মজিদ মিয়ার প্রথম স্ত্রী), জমিলা (মজিদ মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী), আমেনা (খালেক বেপারীর প্রথম পক্ষের স্ত্রী), দুদু মিয়া।
➢ চাঁদের অমাবস্যা: আরেফ আলী, কাদের ও দাদাসাহেব, করিম।
➢ কাঁদো নদী কাঁদো: তবারক ভুঁইয়া, হাকিম মুহাম্মদ মুস্তফা, কফিল উদ্দিন উকিল, খোদেজা।
➢ একটি তুলসী গাছের কাহিনী: মতিন, কাদের, আমজাদ, মোদাব্বের, ইউনুস।
➢ নয়নচারা: আমু, তুতনি।
➢ জাহাজী: বৃদ্ধ সারেঙ্গ করিম ও ছাত্তার।
➢ দুইতীর: আফসার, হাসিনা।
➢ স্তন: মাজেদা, কাদের।
➢ ‘লালসালু’ উপন্যাসের ইংরেজি অনুবাদের নাম– Tree without Roots (১৯৬৭)।
➢ ‘লালসালু’ উপন্যাসের ফরাসি অনুবাদের নাম– ‘লার্ব সঁ রাসিন’(১৯৬১) (L’arbre sans racines)।
➢ ‘লালসালু’ উপন্যাসটির ফরাসি অনুবাদ করেন– ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরি।
➢ ‘লালসালু’ উপন্যাসের উপজীব্য – মাজার কেন্দ্রিক ব্যবসা, কুসংস্কার ও ধর্মীয় ভণ্ডমী।
➢ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম গল্প ‘সীমাহীন এক নিমেষে’ ছাপা হয়েছিল– ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে। বাংলাপিডিয়াসহ কিছু জায়গায় প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’ উল্লেখ আছে।
➢ ফেনী হাইস্কুলে (এখন ফেনী সরকারি পাইলট হাইস্কুল) ছাত্র থাকাকালে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর– সাহিত্যচর্চার সূত্রপাত হয়। তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠিত হাউজ ম্যাগাজিন ‘ভোরের আলো’র মাধ্যমে।
➢ লালসালুর জন্য ২০০১ সালে তানভীর মোকাম্মেলের নির্দেশনায় নির্মিত ‘লালসালু’
➢ সিনেমার জন্য মরণোত্তর লাভ করেন– বাংলাদেশ ‘জাতীয় চলচ্চিত্র’ পুরষ্কার।
➢ চেতনাপ্রবাহরীতিতে রচিত উপন্যাস– কাঁদো নদী কাঁদো।
➢ ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনী’ গল্পটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ইংরেজিতে অনুবাদ করেন– ‘দ্য টেল অব দ্য তুলসী ট্রি’ শিরোনামে।
➢ নয়নচারা ও মৃত্যুযাত্রা গল্প রচিত– ১৯৫০ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে।
➢ চাঁদের অমাবস্যা – একটি মনস্তাত্ত্বিক অস্তিত্ববাদী উপন্যাস।