❖ শিক্ষা: নিজ গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ১৮২৯ সালে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন। পণ্ডিত জয়গোপাল তর্কালঙ্কার ও প্রেমচাঁদ তর্কবাগীশের নিকট তিনি সাহিত্য, ব্যাকরণ, অলঙ্কারশাস্ত্র, জ্যোতিষ ও স্মৃতিশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। এবং ১৮৪১ সালে হিন্দু ল’ কমিটি থেকে জজ-পণ্ডিতের সার্টিফিকেট লাভ করেন।
❖ পারিবারিক উপাধি: চট্টোপাধ্যায়।
❖ উপাধি: সংস্কৃত কলেজ থেকে কবি-প্রতিভার জন্য ‘কাব্যরত্নাকর’ এবং পাণ্ডিত্যের জন্য ‘তর্কালঙ্কার’ উপাধি প্রাপ্ত হন।
❖ কর্মজীবন: মদনমোহন শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। এবং হিন্দু কলেজ পাঠশালা (১৮৪২), ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ (১৮৪৩-৪৫), কৃষ্ণনগর কলেজ (১৮৪৬) ও সংস্কৃত কলেজে (১৮৪৬-৫০) অধ্যাপনা করেন। তিনি ১৮৫৫ সালে ডিসেম্বরে মুর্শিদাবাদের এবং ১৮৫৬ সালে কান্দির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
❖ কাব্যগ্রন্থ: রসতরঙ্গিণী (১৮৩৪) ও বাসবদত্তা (১৮৩৬)।
❖ প্রবন্ধ: সর্বশুভকরী (১৮৫০, স্ত্রীশিক্ষার সমর্থনে রচিত)।
❖ শিশু গ্রন্থ: শিশু শিক্ষা (১৮৪৯-১৮৫৩, তিন খণ্ডে)।
❖ কবিতা: আমার পণ, লেখাপড়া করে যেই, পাখি সব করে রব।
❖ বিখ্যাত কিছু পংক্তি: ‘পাখী সব করে রব, রাতি পোহাইল’, ‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’, ‘লেখাপড়া করে যেই, গাড়ি ঘোড়া চড়ে সে’।
❖ সম্পাদিত গ্রন্থ: তিনি সংস্কৃত ভাষায় রচিত বেশ কয়েকটি গ্রন্থ সম্পাদনা করেন। এর মধ্যে উল্লেখযেগ্য হলো-- সংবাদ তত্ত্ব কৌমুদী, চিন্তামণি দীধিতি, বেদান্ত পরিভাষা, কাদম্বরী, কুমার সম্ভব ও মেঘদূত প্রধান।