বাংলাদেশের স্থলবন্দর

❖ বাংলাদেশের স্থলবন্দর
বাংলাদেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (২০০১ সালের ২০ নং আইন অনুযায়ী) ২০০১ সালে ১৪ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়। 
বর্তমানে ঘোষিত স্থলবন্দর রয়েছে–  ২৪টি। 
চালু রয়েছে ১৫টি। পর্যায়ক্রমে চালু হবে– ৯টি।
বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তে অবস্থিত স্থলবন্দর– ২৩টি। 
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত– টেকনাফ স্থলবন্দর। 
সর্বশেষ বা ২৪তম স্থলবন্দর (ঘোষণা ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর)– ভোলাগঞ্জ, সিলেট।
বাংলাদেশের প্রধান এবং সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর– বেনাপোল।

❂ স্থলবন্দরসমূহ
১. বেনাপোল, যশোর, ২. বুড়িমারী, লালমনিরহাট ৩. ভোমরা, সাতক্ষীরা ৪. তামাবিল, সিলেট ৫. সোনাহাট, কুড়িগ্রাম ৬. নাকুগাঁও, শেরপুর ৭. আখাউড়া, বাহ্মণবাড়িয়া ৮. বিলোনিয়া, ফেনী ৯. গোবরাকুড়া-কড়ইতলী, ময়মনসিংহ ১০. সোনা মসজিদ, চাপাইনবাবগঞ্জ  ১১. হিলি, দিনাজপুর ১২. বাংলাবান্ধা, পঞ্চগড় ১৩. বিবির বাজার, কুমিল্লা ১৪. টেকনাফ, কক্সবাজার ১৫. রামগড়, খাগড়াছড়ি ১৬. বাল্লা, হবিগঞ্জ ১৭. শেওলা, সিলেট ১৮. ধানুয়া কামালপুর, জামালপুর ১৯. ভোলাগঞ্জ, সিলেট ২০ বিরল, দিনাজপুর ২১. দর্শনা, চুয়াডাঙ্গা ২২. দৌলতগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা ২৩. তেগামুখ, রাঙামাটি ২৪. চিলাহাটি, নীলফামারী।

❖ প্রস্তাবিত স্থলবন্দর
•    প্রাগপুর, কুষ্টিয়া।
•    মুজিবনগর, মেহেরপুর (২৫তম)।