❖ শিক্ষা: স্নাতক (১৯৭৩ সাল), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
❖ সম্মাননা: যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটি, ব্রিজপোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয়, জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়, স্কটল্যান্ডের অ্যাবারটে বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতের বিশ্বভারতী ও ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ব্রাসেলসের বিশ্ববিখ্যাত ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়, রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব পিটার্সবার্গ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। এছাড়া ফ্রান্সের ডাওফি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডিপ্লোমা প্রদান করে।
➢ পার্বত্য চট্টগ্রামের দীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কার প্রদান।
➢ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে সাহসিকতা ও দূরদর্শিতার জন্য যুক্তরাস্ট্রের রানডলপ ম্যাকন উইমেন্স কলেজ কর্তৃক ২০০০ সালের ৯ এপ্রিল মর্যাদাসূচক ‘Pearl S. Buck ’৯৯’ পুরস্কারে প্রদান।
➢ বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতিসংঘ কর্তৃক সম্মানজনক ‘সেরেস’ (CERES) মেডেল (১৯৯৯) প্রদান।
➢ সর্বভারতীয় শান্তিসংঘ কর্তৃক ১৯৯৮ সালে ‘মাদার টেরেসা’ পদক প্রদান।
➢ ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক রোটারি ফাউন্ডেশন কর্তৃক Paul Haris ফেলোশিপ প্রদান।
➢ পশ্চিমবঙ্গ সর্বভারতীয় কংগ্রেস ১৯৯৭ সালে কর্তৃক নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু স্মৃতি পদক প্রদান।
➢ আন্তর্জাতিক লায়ন্স ক্লাব কর্তৃক ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে ‘Medal of Distinction’ পদক ও ১৯৯৬-১৯৯৭ সালে ‘Head of State’ পদক প্রদান।
➢ ২০০৯ সালে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট কর্তৃক ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত।
➢ ২০১৪ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক ‘শান্তিরবৃক্ষ’ পুরস্কার প্রদান।
➢ ২০১৫ সালে উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরাম কর্তৃক নারীর ক্ষমতায়নের জন্য রিজিওনাল লিডারশীপ পুরস্কার এবং গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কারে ভূষিত।
➢ জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি কর্তৃক পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত।
➢ টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য International Telecommunication Union (ITU) কর্তৃক ICTs in Sustainable Development Award-2015 প্রদান।
➢ নারী শিক্ষা ও উদ্যোক্তা তৈরিতে অবদানের জন্য ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল Global Women’s Leadership Award-এ ভূষিত।
➢ ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়ান উইমেন কর্তৃক ২০১৯ সালে Lifetime Contribution for Women Empowerment Award প্রদান।
➢ এসিডিএসএন কর্তৃক ২০২১ সালে ‘এসডিজি অগ্রগতি’ পুরস্কারে ভূষিত।
➢ বৃটেনের গ্লোবাল ডাইভারসিটি পুরস্কার এবং ২ বার সাউথ সাউথ পুরস্কারে ভূষিত।
➢ এছাড়া ২০২১ সালের নভেম্বরে Cop-26 সম্মেলনের সময় বিবিসি শেখ হাসিনাকে “The voice of the Vulnerable” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
❖ রাজনৈতিক জীবন
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান। পরবর্তীকালে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ৬ বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে লিপ্ত হন।
২০১৯ সালে চতুর্থবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রথমবার, ২০০৯-২০১৩ মেয়াদে দ্বিতীয়বার, ২০১৪-২০১৮ মেয়াদে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। চতুর্থ, পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
❖ উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম
শেখ মুজিব আমার পিতা, ওরা টোকাই কেন? বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র দূরীকরণ, কিছু চিন্তাভাবনা; আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম; আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, সাদা কালো, সবুজ মাঠ পেরিয়ে, মুজিব বাংলার, বাংলা মুজিবের, Miles to Go, The Quest for Vision-2021 (two volumes)।