প্রমথ চৌধুরী
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক
জন্ম: ৭ আগস্ট ১৮৬৮ সাল।
মৃত্যু: ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬ সাল।
জন্মস্থান: যশোর।
পৈতৃকবাড়ি: পাবনাজেলারচাটমোহরউপজেলারহরিপুরগ্রামে।
পিতা: দুর্গাদাস চৌধুরী।
মাতা: মগ্নময়ীদেবী।
ছদ্মনাম: বীরবল।
❖ শিক্ষা: কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শনে অনার্সসহ বিএ (১৮৮৯) ও ইংরেজিতে এমএ (১৮৯০); কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৯৩ সালে ইংল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করে দেশে ফিরে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসায়ে যোগদান করেন।
❖ সম্মাননা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়কর্তৃক জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯৪১)।
❖ সম্পাদিতপত্রিকা: সবুজপত্র (১৯১৪), বিশ্বভারতী (১৩৪৯-৫০), রূপওরীতি (১৩৪৭-৪৯) ওঅলকা।
❖ গল্পগ্রন্থ: চার ইয়ারি কথা (১৯১৬), আহুতি (১৯১৯), ঘোষালের ত্রিকথা (১৯৩৭), নীললোহিত (১৯৩৯), অনুকথা সপ্তক (১৯৩৯), সেকালের গল্প (১৯৩৯), ট্র্যাজেডির সূত্রপাত (১৯৪০), গল্পসংগ্রহ (১৯৪১), নীল লোহিতের আদি প্রেম (১৯৪৪), দুই বা এক (১৯৪০)।
❖ প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬), নানাকথা (১৯১১), বীরবলের হালখাতা (১৯১৭), আমাদের শিক্ষা (১৯২০), দুই ইয়ারির কথা (১৯২১), বীরবলের টিপ্পনী (১৯২৪), রায়তের কথা (১৯২৬), নানাচর্চা (১৯৩২), বঙ্গ সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত পরিচয় (১৯৪০),প্রাচীন হিন্দুস্থান (১৯৪০),ঘরে বাইরে (১৯৩৬), প্রাচীন বঙ্গ সাহিত্যে হিন্দু মুসলমান।
❖ প্রবন্ধ: যৌবনে দাও রাজটিকা, কথার কথা, বই পড়া, সাহিত্য খেলা, ভাষার কথা।
❖ কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৯) ও পদচারণ (১৯২০)।
উক্তি:
আমি বাঙ্গালী জাতির বিদূষক মাত্র।
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে।
আমি একজন উদাসীন কীট।
ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, উল্টো করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে।
✔ বাংলাসাহিত্যেচলিতভাষারপ্রবর্তকওবিদ্রূপাত্মকপ্রাবন্ধিকহিসেবেপরিচিত– প্রমথ চৌধুরী।
✔ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেয়ে ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাই। সে হিসেবে রবীন্দ্রনাথের ভ্রাতুষ্পুত্রী-জামাতা ছিলেন–প্রমথ চৌধুরী।
✔ বাংলা সাহিত্যে ‘বীরবলী’ ধারারপ্রবর্তক–প্রমথ চৌধুরী।
✔ বাংলা সাহিত্যে ‘প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ’ রচনা করেন– প্রমথ চৌধুরী।
✔ শান্তিনিকেতনেতাঁরমৃত্যুবরণ– প্রমথ চৌধুরী।
✔ ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা গদ্যে নবরীতির প্রবর্তন করেন– প্রমথ চৌধুরী।
✔ জীবনে একটি উপন্যাসও লেখেননি– প্রমথ চৌধুরী।
✔ বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতিতে লেখা প্রথম গ্রন্থ– বীরবলের হালখাতা।
✔ চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা– হালখাতা (১৯০২)।
