❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪), ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৪), জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার (১৯৭১), একুশে পদক (১৯৮৬), দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ স্বর্ণপদক (১৯৯৪)।
❖ অধ্যাপনা: নারায়ণগঞ্জের তোলারাম কলেজ (১৯৫৫), ঢাকা জগন্নাথ কলেজ (১৯৫৬-৬১), সিলেট এমসি কলেজ (১৯৬২-৬৮) এবং চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ (১৯৬৪-৬৭)।
❖ কাব্যগ্রন্থ: মানচিত্র (১৯৬১), ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২), লেলিহান পাণ্ডুলিপি (১৯৭৫), নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ (১৯৮৩) সাজঘর (১৯৯০), আমি যখন আসবো, সূর্য জ্বালার সোপান।
❖ উপন্যাস: তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০, প্রথম প্রকাশিত, শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২), কর্ণফুলী (১৯৬২), ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪), খসড়া কাগজ (১৯৮৬), শ্যাম ছায়ার সংবাদ (১৯৮৬), জ্যোৎস্নার অজানা জীবন, যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, স্বাগতম ভালোবাসা, অপর যোদ্ধারা, অন্তরীক্ষে বৃক্ষরাজি, প্রিয় প্রিন্স, ক্যাম্পাস, অনূদিত অন্ধকার, স্বপ্নশিলা,কালো জ্যোৎস্নায় চন্দ্রমল্লিকা।
❖ গল্পগ্রন্থ: জেগে আছি (১৯৫০, প্রথম প্রকাশিত), ধানকন্যা (১৯৫১), জীবন জমিন (১৯৮৮), মৃগনাভি (১৯৫০), অন্ধকার সিঁড়ি, উজান তরঙ্গে, যখন সৈকত, আমার রক্ত স্বপ্ন আমার।
❖ কবিতা: শান্তিগাথা, স্মৃতিস্তম্ভ, নির্মাণ, পূর্বলেখ, জীবন, একটু দাঁড়াও, ফেরেনি যে জন, মিউজিয়ামের সিঁড়ি।
❖ নাটক: মরক্কোর যাদুকর (১৯৫৯), মায়াবী প্রহর (১৯৬৩), ধন্যবাদ (১৯৬৫), নিঃশব্দ যাত্রা (১৯৭২), নরকে লাল গোলাপ (১৯৭২, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক)।
❖ কাব্যনাট্য: ইহুদির মেয়ে (১৯৬২) ও রঙিন মুদ্রারাক্ষস (১৯৯৪)।
❖ চরিত্র
➣ কর্ণফুলী – আদিবাসী রাঙালিমা, জলি, রমজান, ইসমাইল।
➣ ক্ষুধা ও আশা – হানিফ, ফাতেমা।
➣ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র – জাহেদ, ছবি, জামিল।
➣ শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন – বিলকিস, পারভীন, কামাল।
❖ বিশেষ তথ্য
➣ তাঁর প্রথম প্রবন্ধ হলো– আবেগ।
➣ প্রথম ছোটগল্প– জানোয়ার।
➣ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখা স্মৃতিকথা হলো - ফেরার ডায়েরি।
➣ পরিচালক সুভাষ দত্ত ‘বসুন্ধরা’ নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন - তেইশ নম্বর তৈলচিত্র অবলম্বনে।
➣ তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটি – মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
➣ মানচিত্র কাব্যের বিখ্যাত কবিতা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ রচিত হয় – ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে।
➣ আদিবাসীদের নিয়ে লেখা উপন্যাস হলো –কর্ণফুলী।
➣ প্রথম ছোটগল্প গ্রন্থ হলো – জেগে আছি।