আবু জাফর শামসুদ্দীন
(১২ মার্চ ১৯১১ - ২৪ আগস্ট ১৯৮৮)
সাংবাদিক ও সাহিত্যিক
জন্মস্থান: ঢাকা জেলার গাজীপুরের দক্ষিণবাগ গ্রাম।
পিতা: মোহাম্মদ আক্কাছ আলী ভুঁইয়া।
শিক্ষা: হাই মাদ্রাসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (১৯২৯)।
ছদ্মনাম: অল্পদর্শী।
❖ উপন্যাস; পরিত্যক্ত স্বামী (১৯৪৭, প্রথম উপন্যাস), ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান (১৯৬৩), পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৭৪), সংকর সংকীর্তন (১৯৮০), প্রপঞ্চ (১৯৮০), দেয়াল (১৯৮৫), মুক্তি (১৯৪৮)।
❖ ত্রয়ী উপন্যাস: ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান, সংকর সংকীর্তন, পদ্মা মেঘনা যমুনা।
❖ গল্পগ্রন্থ: জীবন (১৯৪৮), রাজেন ঠাকুরের তীর্থযাত্রা (১৯৭৮), ল্যাংড়ী (১৯৮৪), শেষ রাত্রির তারা, একজোড়া প্যান্ট ও অন্যান্য।
❖ প্রবন্ধ গ্রন্থ: সোচ্চার উচ্চারণ (১৯৭৭), লোকায়ত সমাজ ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি (১৯৮৮), ‘মধ্যপ্রাচ্য, ইসলাম ও সমকালীন রাজনীতি’, বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা, সমাজ সংস্কৃতি ও ইতিহাস (১৯৭৯), চিন্তার বিবর্তন ও পূর্ব পাকিস্তানি সাহিত্য (১৯৬৪)।
❖ অনুবাদ গ্রন্থ: শিল্পীর সাধনা ও পার্ল বাকের সেরা গল্প।
❖পুরস্কারঃ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮), সমকাল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৯), একুশে পদক (১৯৮৩), মুক্তধারা সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬) ও ফিলিপস পুরস্কার (মরণোত্তর, ১৯৮৮)।
❖সম্পাদনাঃ ১৯৫০ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত তিনি সাপ্তাহিক ইত্তেফাকের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
❖দায়িত্ব পালনঃ তিনি বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ, বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট সোসাইটি, বাংলা একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদ, বাংলাদেশ আফ্রো-এশীয় লেখক ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনে উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেন।
❖রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাঃ তিনি বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য। প্রথম জীবনে মানবেন্দ্রনাথ রায়ের (এম.এন রায়) ‘র্যাডিক্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির’ সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাপ (১৯৫৭) গঠিত হলে প্রাদেশিক সাংগঠনিক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ঐতিহাসিক কাগমারি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির কেন্দ্রীয় আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
❖বিশেষ তথ্যঃ দৈনিক সংবাদ-এ ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে তাঁর লেখা ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক কলাম স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল।
