❖ পুরস্কার: বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৩), সুন্দরবন সাহিত্য পদক (১৯৮১), বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক (১৯৯০), একুশে পদক (১৯৯৭), স্বাধীনতা পদক (মরণোত্তর, ২০০৪) এবং শিশু একাডেমি পদক (মরণোত্তর, ২০০৬) ।
❖ কর্ম জীবন: পুলিশের উপপরিদর্শক হিসেবে যোগ দেন ১৯৪৯ সালে। ১৯৭৩ সালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার উপ-পরিচালক হন। ১৯৭৪ সালে বার্মার আকিয়াবে বাংলাদেশ সরকারের দূতাবাসে ভাইস-কনসাল এবং ১৯৭৬ সালে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সেক্রেটারি পদে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৭৯ সালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান হয়ে ১৯৮৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মঃ
❖ উপন্যাস:
|
নাম
|
প্রকাশ
|
চরিত্র
|
প্রেক্ষাপট
|
|
সূর্য-দীঘল বাড়ী
|
১৯৫৫ সালে, প্রথম এবং সামাজিক উপন্যাস।
|
জয়গুন, হাসু, মায়মুন, মোড়লগদু
|
বিশ্বযুদ্ধ, পঞ্চাশের দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগের পটভূমিতে রচিত।
|
|
পদ্মার পলিদ্বীপ
|
১৯৮৬ সালে, দ্বিতীয় উপন্যাস।
|
ফজল, এরফান মাতব্বর, জরিনা, রূপজান।
|
পদ্মার বুকে জেগে-ওঠা চরের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রাম নিয়ে রচিত।
|
|
জাল (গোয়েন্দা উপন্যাস)
|
১৯৮৮ সালে, তৃতীয় উপন্যাস।
|
|
লেখক পুলিশ থাকাকালে বেশ কিছু জাল নোটের মামলা তদন্ত করেছিলেন সেই আলোকে রচিত।
|
❖ গল্পগ্রন্থ: হারেম (১৯৬২), মহাপতঙ্গ (১৯৬৩) ও গল্পসংগ্রহ (২০০৫)।
❖ ছোট গল্প: একটি ময়নার আত্মকাহিনী - মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ার কাহিনি তুলে ধরেছেন।
জোঁক - গল্পটির চরিত্র হলো: ওসমান, তোতা মিয়া, টুনি, করিম গাজী, নবুখা।
❖ নাটক: জয়ধ্বনি (একমাত্র নাটক)। এটি ধানশালিকের দেশ পত্রিকায় ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়।
❖ অভিধান: ‘সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান’ সম্পাদনা করেন।
❖ একনজরে
➣ ১৯৭৯ সালে ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে রূপদান করেন– শেখ নিয়ামত আলী ও মসীহউদ্দিন শাকের ।
➣ “লাঠির জোরে মাটি, লাঠালাঠি কাটাকাটি, আদালতে হাঁটাহাঁটি, এই না হলে চরের মাটি, হয় কবে খাঁটি”- উক্তিটি– ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ উপন্যাসের।
➣ ‘বারে বা, বড় পাখির বড় রং, আণ্ডা পাড়ার দেখ ঢং’ উক্তিটি– ‘মহাপতঙ্গ’ গল্পের ।
➣ অভিশাপ – আবু ইসহাকের ছোট গল্প।
➣ মহাপতঙ্গ গল্পের ইংরেজি অনুবাদ হলো- Dragon Fly।